রবিবার সকাল ৯:০৯, ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ. ৩রা মার্চ, ২০২৪ ইং

স্যার ফজলে হাসান আবেদ এর স্মরণ সভা ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত

৬৫৪ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের স্মরণসভা ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
(২২ জানুয়ারি) বুধবার সন্ধায় শহরের গোবিন্দনগর¯’ ইএসডিও’র মেধা অনুশীলন কেন্দ্রে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক নুর কুতুবুল আলম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী, ইকো পাঠশালা এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সেলিমা আকতার, সংস্থার জেলা সমন্বয়ক জাহাঙ্গীর আলম, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মাইক্রোফাইন্যান্স (দাবি) মোস্তাফিজুর রহমান,আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মাইক্রো ফাইন্যান্স (প্রগতি) আমিনা খাতুন, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচী মফিজুল ইসলাম, সদস্য তামান্না খাতুন প্রমুখ।

স্যার ফজলে হাসান আবেদের স্মরণে শপথ পাঠ করান সংস্থার আঞ্চলিক হিসাব ব্যবস্থাপক আলী আশরাফ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবনী তুলে ধরা হয়।

ফজলে হাসান আবেদ
একজন পরিপূর্ণ মানুষের প্রতিকৃতি ।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ব্র্যাক’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ার এমেরিটাস।

১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল তদানীন্তন সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমার বানিয়াচংয়ে তাঁর জন্ম।

সৈয়দা সুফিয়া খাতুন এবং সিদ্দিক হাসানের দ্বিতীয় সন্তান তিনি।
১৯৫২ সালে পাবনা জেলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং ১৯৫৪ সালে ঢাকা কলেজ থেকে তিনি আইএসসি পাস করেন।

পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থ বিদ্যায় অনার্সে ভর্তি হন। কিন্তু সেখানে না পড়ে তিনি ইংল্যান্ডে চলে যান। তখন ফজলে হাসান আবেদের ছোট চাচা সায়ীদুল হাসান ছিলেন লন্ডনে পাকিস্তান দূতাবাসের বাণিজ্য সচিব।

তিনি আবেদকে স্কটল্যান্ডে গিয়ে গøাসগো ইউনিভার্সিটিতে নেভাল আর্কিটেকচারে ভর্তি হতে বলেন।
১৯৫৪ সালে আবেদ স্কটল্যান্ডের গøাসগো ইউনিভার্সিটিতে নেভাল আর্কিটেকচারে ভর্তি হন।
কিন্তু দুই বছর লেখাপড়া করার পরে তিনি নেভাল আর্কিটেকচার পড়া বাদ দিয়ে অ্যাকাউন্টিংয়ে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

লন্ডনে গিয়ে চার্টার্ড অ্যাকাউন্টিংয়ে লেখাপড়া করার সময়েই, ১৯৫৮ সালে ফজলে হাসান আবেদ-এর মা সৈয়দা সুফিয়া খাতুন মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৬২ সালে ‘কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টিং’-এর ওপর তিনি প্রফেশনাল কোর্স সম্পন্ন করেন ।


কর্মজীবনের শুরু :
শিক্ষাজীবন শেষে স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৬২ সাল থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত লন্ডন, কানাডা ও আমেরিকাতে চাকরি করেন।
এরপর ১৯৬৮ সালে তিনি দেশে ফিরে আসেন। তখন গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিতে সাধারণ মানুষ সোচ্চার হচ্ছে।
আন্দোলন একটু একটু করে দানা বাঁধছে। প্রতিদিনই মিছিল মিটিং চলছে। এক পর্যায়ে আন্দোলন জোরদার হয়ে ওঠে।

শুরু হয় ঊনসত্তরের গণ আন্দোলন।
১৯৭০ সালে আবেদ শেল অয়েল কোম্পানির চট্টগ্রাম অফিসে যোগ দেন এবং এরপর পদোন্নতি লাভ করে ফাইন্যান্স বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পান। শেল অয়েল কোম্পানিতে কর্মরত থাকাকালে ১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর উপকূলীয় দ্বীপাঞ্চলে স্মরণকালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। স›দ্বীপ, হাতিয়া, মনপুরা এই তিনটি দ্বীপের লাখ লাখ মানুষ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ¡াসে মৃত্যুবরণ করেছিল।

ফজলে হাসান আবেদ, তাঁর বন্ধু ব্যারিস্টার ভিকারুল ইসলাম চৌধুরী, সহকর্মী কায়সার জামান, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আকবর কবীর এবং নটর ডেম কলেজের শিক্ষক ফাদার টিম মিলে সিদ্ধান্ত নিলেন ত্রাণ বিতরণ করতে তাঁরা মনপুরাতে যাবেন।

এসময় তিনি তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে মিলে ‘হেলপ’ নামের একটি সংগঠন গড়ে তুলে ঘূর্ণি উপদ্রæত ও জলোচ্ছ¡াসে ক্ষতিগ্রস্ত মনপুরা দ্বীপের বিপন্ন ও বিধ্বস্ত মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।
সেখানে তাঁরা ব্যাপক ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করেছিলেন। সর্বস্ব এবং স্বজন হারানো মানুষের কাছে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি তাঁরা তৈরি করে দিয়েছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সহায়তায় ‘অ্যাকশন বাংলাদেশ’ ও ‘হেলপ বাংলাদেশ’ গঠন
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে স্যার ফজলে হাসান আবেদ শেল অয়েল কোম্পানির উচ্চপদের চাকরি ছেড়ে দিয়ে ইসলামাবাদ ও কাবুল হয়ে লন্ডনে চলে যান।
১৯৭১ সালের মে মাসে লন্ডনে গিয়ে সমমনা বন্ধুদের সঙ্গে মিলে সম্পৃক্ত হলেন স্বাধীনতা সংগ্রামের লড়াইয়ে। মুক্তিযুদ্ধে সহায়তার জন্য গড়ে তুললেন ‘অ্যাকশন বাংলাদেশ’ ও ‘হেলপ বাংলাদেশ’ নামে দুটো সংগঠন।

‘অ্যাকশন বাংলাদেশ’-এর কাজ ছিল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক সমর্থন আদায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপক্ষে জনমত তৈরি এবং পাকিস্তানি বাহিনির বর্বরোচিত কার্যকলাপ বন্ধের জন্য ইউরোপীয় দেশসমূহের সরকারকে সক্রিয় করে তোলা।

‘হেলপ বাংলাদেশ’-এর কাজ ছিল অর্থসংগ্রহ করে মুক্তিবাহিনীকে সহযোগিতা করা। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরি, প্রচারণাপত্র বিলি করা, টাইমস অব লন্ডনে লেখা ও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা, রেডিও ও টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দেওয়া, ইউরোপীয় দেশসমূহের পার্লামেন্ট সদস্যদের আলোচনার মাধ্যমে স্বদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বিবিধ কর্মতৎপরতা পরিচালনা করা।
এ ছাড়া পথনাটক, তহবিল সংগ্রহসহ নানা ধরনের কাজে তিনি ও তাঁর বন্ধুরা সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়েছিলেন।

‘ব্র্যাক’ প্রতিষ্ঠা
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল বাংলাদেশ।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে ফজলে হাসান আবেদ সদ্যস্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

ফেরার সময় তিনি তাঁর লন্ডনের ফ্ল্যাটটি ১৬ হাজার পাউন্ড দামে বিক্রি করে দিয়েছিলেন।

১ কোটি শরণার্থী, যারা ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল, তারা তখন দেশে ফিরে আসতে শুরু করেছে। আবেদ ভারতপ্রত্যাগত শরণার্থীদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনকল্পে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। মুক্তিযুদ্ধকালে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া সিলেটের সুনামগঞ্জের শাল্লা ও দিরাই অঞ্চলকে তিনি তাঁর কর্ম-এলাকা হিসেবে বেছে নেন।

১৯৭২ সালের ১লা ফেব্রæয়ারি। বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রার ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।

এই দিন থেকেই বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন অ্যাসিসটেন্স কমিটি সংক্ষেপে ‘ব্র্যাক’-এর শাল্লা প্রকল্পের প্রথম পর্বের সূচনা হয়। এটিই ‘ব্র্যাক’-এর আনুষ্ঠানিক জন্মদিন।

দায়িত্বপালন ও অবসর গ্রহণ
স্যার ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৭২ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০০১ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ব্র্যাকের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন।
স্যার ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ২০০১ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ-এর চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন।
তিনি ব্র্যাক ব্যাংকেরও প্রতিষ্ঠাতা। ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল এবং ২০১৩ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্যার ফজলে হাসান আবেদ ২০১৯ সালের ১লা আগস্ট তারিখে ব্র্যাক-এর চেয়ারপারসন পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
তখন তিনি ব্র্যাক-এর চেয়ার এমেরিটাস পদে আসীন হন। স্যার ফজলে হাসান আবেদ ২৪শে জুলাই ২০১৯ তারিখে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ড-এর চেয়ারপারসন পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। ২৬শে আগস্ট তারিখে ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারপারসন পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

যে সব জায়গায় তিনি দায়িত্বে ছিলেন-
১৯৮১ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির হার্ভার্ড ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট-এর ভিজিটিং স্কলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত অ্যাসোসিয়েশন অব ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিজ ইন বাংলাদেশ (এডাব)-এর চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস)-এর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস)-এর সিনিয়র ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দি ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, জেনেভার এনজিও কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সাউথ এশিয়া পার্টনারশিপ-এর চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ‘ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অন হেলথ রিসার্চ ফর ডেভেলপমেন্ট-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ১৯৯০ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ‘গণ সাক্ষরতা অভিযান’-এর চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 ১৯৯০ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত‘এনজিও ফোরাম ফর ড্রিংকিং ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন’-এর চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ১৯৯২ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ইন্ডিপেন্ডেন্ট সাউথ এশিয়ান কমিশন অন পোভার্টি এলিভিয়েশন-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ১৯৯২ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত সার্ক-এর সাউথ এশিয়ান কমিশন অন পোভার্টি এলিভিয়েশন-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৪ এবং ২০০৭ সাল থেকে ২০০৯ সাল মেয়াদে ‘আইন ও সালিশ কেন্দ্র’-এর চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ১৯৯৪ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
 ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের সাসেক্স ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব গভর্নরস, ইন্সটিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (আইডিএস)-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত দি ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ওয়াশিংটন-এর দি কনসালটেটিভ গ্রুপ টু অ্যাসিস্ট দি পুওরেস্ট (সিজিএপি)-র পলিসি অ্যাডভাইজরি গ্রুপের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট (ইরি) ফিলিপাইন-এর বোর্ড অব গভর্নরস-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট (ইরি) ফিলিপাইন-এর ফাইন্যান্স অ্যান্ড অডিট কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ২০০২ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক অব অলটারনেটিভ ফিন্যান্সিয়াল ইন্সটিটিউশন (ইনাফি)-এর গেøাবাল চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
 ২০০৫ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ইউএন কমিশন অন লিগ্যাল এমপাওয়ারমেন্ট অব দি পুওর (সিএলইপি)-এর কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
 ২০১০ সালে জাতিসংঘের তদানীন্তন মহাপরিচালক বান কি মুন ফজলে হাসান আবেদকে বিশ্বের স্বল্পোন্নত দেশসমূহের ‘স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গে’র একজন হিসেবে নিযুক্তি প্রদান করেন।

 অশোকা স্যার ফজলে হাসান আবেদকে ‘গ্লোবাল গ্রেট’ স্বীকৃতিতে ভূষিত করেছে। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের ‘
গ্লোবাল অ্যাকাডেমিক ফর সোশ্যাল অন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, সংস্থার জেলা সমন্বয়ক জাহাঙ্গীর আলম।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ,অভিভাবক, ব্রাকের সুধীজন ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Some text

ক্যাটাগরি: নাগরিক সাংবাদিকতা

[sharethis-inline-buttons]

Leave a Reply

আমি প্রবাসী অ্যাপস দিয়ে ভ্যাকসিন…

লঞ্চে যৌন হয়রানি