বৃহস্পতিবার রাত ১:৩৭, ৯ই চৈত্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ. ২২শে মার্চ, ২০২৩ ইং

বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ

৭০৪ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

“আমি রাত আনুমানিক ১০ টায় পড়ার টেবিলেই ঘুমিয়ে পরেছিলাম। হঠাৎ শব্দ শুনে ঘুম ভেঙ্গে দেখি আমার সামনে দা, ছুরি নিয়ে দাড়ানো মোস্তুফা ও শহিদ মিয়া। তারা আমাকে গলায় ছুরি ধরে টেনে-হিঁচড়ে মুখ চেপে ধরে বিছানায় নিয়ে ধর্ষণ করে একজনের পরে একজন” এই বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন মাধবপুর উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী ধর্মঘর ইউনিয়নের বঙ্গবীর উসমানী উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রী। এ ব্যাপারে গত ১৯ জুন ২০১৯ তারিখে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে, মামলা নং ২৬।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ই জুন ২০১৯ তারিখে রাত আনুমানিক ১১ ঘটিকার সময় মাধবপুর উপজেলার ১ নং ধর্মঘর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের মোঃ শাহ আলম এর বাড়িতে একেই গ্রামের মোঃ ওয়াদ আলীর পুত্র মোঃ শাহিদ মিয়া (৪৫) ও পাশ্ববর্তী গ্রাম রাজেন্দ্রপুরের মৃত আঃ রহমান এর ছেলে মোস্তুফা (৩৫) পশ্চিম ভিটের ঘরের জানালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে ঘুমন্ত স্কুল ছাত্রীকে দা, ছুরির ভয় দেখিয়ে পালাক্রমে ধর্ষন করে। এসময় বাহিরে আরো লোকের শব্দ শুনতে পায়। পালাক্রমে একাধিকবার ধর্ষনের পরে একেই ঘরে পাশের বিছানায় ভিকটিমের ছোট বোন একই স্কুলের ৯ম শ্রেনীর ছাত্রীকে শাহিদ মিয়া ও মোস্তুফা ধর্ষনের জন্য এগিয়ে গেলে ভিকটিম অনুরোধ করে বলেন “যত পারে আমার উপর নির্যাতন কর,তার পরেও আমার বোনকে নষ্ট কর না “। তার এই অনুরোধে তাকে আবারো দুইজনে ধর্ষণ করে ভয় ভীতি দেখিয়ে বলে তার ছোট বোনকে মোস্তুফা সাথে বিয়ে দিতে। আর যেন কারো কাছে এই ঘটনা প্রকাশ না করে। প্রকাশ করলে পুরো পরিবারকে প্রাণনাশে হুমকী দিয়ে চলে যায়।

এই ঘটনার পরে পুলিশ অভিযোগ আমলে নিয়ে মোস্তুফা ও শাহিদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে কোর্টের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। এখন ভিকটিমের পরিবার ও তার আত্মীয়-স্বজনকে ভয় ভীতি দেখিয়ে এই বিষয়ে আপোষ মিমাংসা ও বাড়াবাড়ি না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতেছে বলে ভিকটিমের মা নাছিমা বেগম (৩৫) জানান। তিনি আরো বলেন তার ছোট মেয়েকে একাধিক বিবাহিত মোস্তুফার সাথে বিয়ে দেওয়া জন্য মোস্তুফা বাড়িতে এসে অনেকবার চাপ প্রয়োগ করেছিল। কিন্তু আমরা তাতে রাজি হয়নি, মোস্তফাকে আমাদের বাড়ির আশেপাশে আসতেও নিষেধ করেছিলাম। সেই ক্ষোভ থেকে সে শাহিদ ও অন্য অন্যদের কে নিয়ে আমার মেয়ের এমন সর্বনাশ করেছে। আমি তার সর্বোচ্চ বিচার দাবী করছি।

ভিকটিমের মামা আবুল কাশেম বলেন, আমি আমার ভাগনি ও বোনের কাছে শুনছি আমার ছোট ভাগনীকে একাধিক বিবাহিত বখাটে মোস্তুফা বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ায় তাকে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ায় ক্ষোভ থেকে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে সুযোগ বুঝে এমন জঘন্যতম কাজটি করেছে। এখন মোস্তুফা ও শাহিদ মিয়ার পক্ষে তার আত্মীয়-স্বজন ও সমাজের কিছু নষ্ট প্রকৃতির প্রভাবশালী মানুষ আমাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিচারকে প্রভাবিত করার পায়তারা করতেছে।

বঙ্গবীর উসমানী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফারুক আহাম্মেদ বলেন, আমার স্কুলের ৯ম ও ১০ম শ্রেনীর আপন দুই বোনের সাথে এমন সমাজের অবক্ষয় এর মত জঘন্য ঘটনার খবর মেয়ে গুলোর অভিভাবক আমাকে অবহিত করেছে। আমি তাদের আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দিয়েছি। আমার স্কুলের পক্ষ থেকে একটি মানবন্ধন করার চিন্তা করেছি। আমরা এটার সঠিক বিচার দাবী করছি।যাতে এমন ঘটনা আর আমাদের সমাজে না ঘটে সেই প্রত্যাশা করি।

কামরুল হাসান শান্ত : বিশেষ প্রতিনিধি

Some text

ক্যাটাগরি: খবর

[sharethis-inline-buttons]

Leave a Reply

Flirt4free Review: Security, Prices, Models

The Best Chat Room Apps…

Take part in the Finest…

The Fantasy About Ukraine Girls…

The Hidden Treasure Of Costa…

Se corre en su cara

On the web Pokies Modern…

5 Simple Techniques For Portuguese…

The Idiot’s Guide To Sexy…

The Fundamentals Of Turkish Girls…