বৃহস্পতিবার দুপুর ২:০৪, ১২ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ. ২৫শে এপ্রিল, ২০২৪ ইং

কবিতা : অদৃশ্য নিয়তি

৬৭৯ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

কথা ছিল ঘর বাধার
নিয়ম মাফিক শরীরের
লেনা দেনা চলছিলো।
জঠর ভরে ফুলে ফেঁপে ঢোল হয়ে
এক অনাথ শিশুর জন্ম হল।
হল সে টোকাই।
বাবার প্রশ্ন তুলে, বাবারা হয়না।
বোবা করুন চোখে চেয়ে চোখে
জল ঝরায় মা।
শিশু ডাস্টবিনে কুড়ায় খাবার সন্ধানে।
মায়ের কাছে ক্ষুধার্ত শিশুর ভাতের দাবী।
মা আঁচল তুলে চোখ মুছে।
জীবনের হতাশার অনল
ধুঁকে ধুঁকে জলে সব হারানোর যন্ত্রণায়।
মা রাতের আঁধারের রঙ্গিণী।
সমাজে মা ছেলে অস্পৃশ্য।
মায়ের হৃদয়ে ধূসরশ্যাওলা।
গায়ে বিভিন্ন স্বাদের গন্ধ।
নড়বড়ে যায় দিন বয়ে।
গুননের দিন গেলেই নাকি হল।
প্রশ্ন তুলে শুন্যে ,
শূন্যে কে রয় , বিধাতা।
বাবাতো সবার হয়।
আমার নেই কেন।
বাবা আছে , পালিয়ে গেছে।
বাবা ছাড়া কি সন্তান হয়।
বৈধ কাগজ নেই যে।
আস্তা কুঁড়ে থাকে শিশু।
আস্তা কুঁড়ে ই তার ঘর।
রাতের আঁধার কেটে গেলে
সকাল হয় , সকাল তা বড় অস্থির সময়।
ক্লান্তি লজ্জায় কুঁকড়ে আসে।
পুব আকাশে সূর্য গড়ায় ।
রাস্তায় ঘুম ঘোরে ঢোলে।
শেকড় প্রেমিক হয়তো
অন্য কোন কামনায় মগ্ন।
জীবন তাদের জ্বালায় না।
সুখ জ্বালার অন্তরায়।
জীবন ওদের বিদঘুটে অন্ধকার।
হতাশা নেয়,কেননা সকাল
ওদের ডাকেনা।
ঘুম ঘোর কেটে গেলে
নামে রাতের আঁধার।
আর রাতে রাতে কেটে যায়
জীবনের অধ্যায়ের পর অধ্যায়।

শাহ্‌ সাবরিনা মোয়াজ্জেম

Some text

ক্যাটাগরি: কবিতা

[sharethis-inline-buttons]

Leave a Reply

আমি প্রবাসী অ্যাপস দিয়ে ভ্যাকসিন…

লঞ্চে যৌন হয়রানি