বৃহস্পতিবার দুপুর ২:৩০, ১২ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ. ২৫শে এপ্রিল, ২০২৪ ইং

বৃষ্টির ডায়রি

১৪১২ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

– আমি মেলাবো আর স্বপ্নডানা, ঐ নীল মেঘেদের ছোঁয়ায়
আমি লিখবো না আর কোনো কাব্য, স্মৃতির ছেড়া পাতায় ।

আচ্ছা ডাইরি কি কখনো পুরনো হয় ? হয়তো হয়, নয়তো নয় ! বৃষ্টি আজ সারাদিন তার শখের ডায়রিটা খুজে পাচ্ছে না। যেটা সে খুব যত্ন করে বানিয়েছে। কত ছেঁড়া কাগজ, কত যে পেপার কাটিং, কত যে পুরোনো সব চিঠি, বন্ধুদের আঁকা স্কুলের স্যারদের কার্টুন ওই ডায়রির পাতায় আঁঠা দিয়ে সেঁটে রেখেছে তার হিসাব নেই। খুব কষ্ট হচ্ছে তার ডায়রি টা না পেয়ে। যেন তার প্রিয় বন্ধুকে কেউ ছিনিয়ে নিয়ে চলে গেছে।তবু সে খুঁজে চলেছে, সারা বাড়ি। মা বাবার শোবার ঘরে সে এখন খুঁজছে। হঠাৎ পুরোনো একটা বাক্স থেকে একটা পুরোনো ধুলো জমে থাকা চিঠির মতো কাগজের টুকরো পেল। সে সেটা নিয়ে চলে এল নিজের ঘরে। এসেই পড়তে আরম্ভ করল —

প্রিয় আনণ্দ,
কেমন আছিস? আশা করি ভালোই আছিস। আর থাকবি ই না কেন? সব আশা তো পুর্ন হয়েছে! এই চিঠির সারাংশটা কি জানিস? প্রথমটাই অগ্রিম জন্মদিনের শুভেচ্ছা আর এখন শুধুই ‘ হুম ‘। বুঝলি না তো? বুঝবিও না। কারন যে বুঝেও এড়িয়ে চলে তাকে বোঝানো যায় না। কথা বলার অনীহা টা বেশ ভালোই জন্মেছে। রাস্তা এড়িয়ে চলার প্রাকটিশ টা তিন বছর ধরে করে চলেছিস। স্মৃতি পাশ কাটিয়ে, চোখাচোখি এড়িয়ে, ট্রেনের সময় বদলে বেশ চলতে শিখে গেছিস। স্মৃতি টা কি একেবারেই মুছে ফেলেছিস? কি করে মুছলি বলতো? খুব দামি রাবার বুঝি! কিছুই কি অবশিষ্ট নেই? সেই প্রথম প্রোপোজ করা কি মনে পড়ে না?

বাবা কি নাটকটাই না করেছিলি! গোটা কলেজের সামনে হাটু মুড়ে কি সব ফিল্মি ডায়লগ ঝেড়েছিলি!
“তেরে দিল মে মেরি শাঁসো কো পানাহ্ মিল যায়ে..
তেরে ইশ্ক মে মেরি জান ফানা হো যায়ে।” আমি তো খুব বোকা, বুঝতেই পারিনি, তুই ও একজন দারুন অভিনেতা। গেলাম ফিদা হয়ে! সে কি নিদারুন ফিলিংস এসেছিল মনে, শরীরে! শরীরের প্রতিটি লোমকুপ খাড়া হয়ে গেছিলো। মনে হয়েছিল এই তো আমার স্বপ্নের রাজকুমার। বন্ধুরা বলে উঠছিল, ” হাউ রোমান্টিক!ইউ আর ভেরি লাকি প্রেরনা”

সত্যিই সেদিন লাকি মনে হয়েছিল, আমার নিজেকে।
তারপর দুজনে কতো রবিবার সুমন্ত দার কেমিস্ট্রি টিউশন কামাই করে সিনেমা গেছি, কতো গুলো কলেজের প্রাকটিকাল মিস করে পার্কে গেছি, মা কে মিথ্যা করে প্রোজেক্টের কাজ আছে বলে কত রাত জেগে তোর সাথে কথা বলেছি। জন্মদিনে রাত ১২ টা অবধি অপেক্ষা করে থাকতিস, আমায় শুভেচ্ছা জানানোর জন্য। তারপর সেই সেদিনটা মনে পড়ছে? কেমিস্ট্রি ল্যাব। কেউ নেই শুধু তুই, আমি আর মাঝে ইথাইল অ্যালকোহলের বোতল। দু ধারে দুটো কেমিকেলে ভরা র্্যাক,কেউ দেখছিল না। হঠাৎ ইথাইল অ্যালকোহল ছিটিয়ে দিলি আমার বুকে, আমি কেঁপে উঠলাম ইথাইলের ঠান্ডা স্পর্শে। বার বার মনে হচ্ছিলো তুই আরো ছিটিয়ে দে। তুই অন্তর্যামী ছিলি বোধহয়! বোতল থেকে ইথাইল তোর তর্জনী আঙুলে নিয়ে ইষৎ দেখতে পাওয়া আমার বুকের খাঁজে স্পর্শ করলি। উফ! সেই প্রথম কোনো পুরুষের হাতের ছোঁয়া এত ভালো লেগেছিল। আস্তে আস্তে তোর উষ্ণ ঠোঁট, বুকের খাঁজ থেকে শুরু করে আমার কন্ঠ, কান, গাল স্পর্শ করতে করতে আমার ঠোঁটে এসে পৌঁছালো। আমি হারিয়ে গেছিলাম কিছুক্ষনের জন্য। হঠাৎ আমরা কোথায় মনে পড়ে যেতেই তোকে ঠেলে দুরে সরিয়ে দিলাম।
তারপর একমুহুর্ত দেরী না করে ব্যাগ নিয়ে সোজা হোস্টেল চলে এলাম। সারাদিন শুধু বিছানায় শুয়ে সেই ঘটনা ভেবেছি, আর নিজেকে খুব তিরস্কার করেছি। শুধু মনে হয়েছে, “এ আমি কি করছিলাম! কলেজের ল্যাবেও শেষ পর্যন্ত—

এটা কি আমি ঠিক করেছি!” ফোন টাও সুইচ অফ করে রেখেছিলাম। এদিকে তুই তো রেগে আগ্নেয়গিরি হয়েছিলি দুদিন। কথাও বলছিলি না। আমিও লজ্জায় তোর মুখের দিকে তাকাতে পারিনি কিছুদিন। পরে তুই ই একদিন ঠান্ডা হয়ে আমায় বই নেওয়ার ছলে ডাকলি। আমি গেলাম দেখা করতে। তুই জিঞ্জাসা করলি,”বইটা এনেছিস?”
আমি উত্তর দিলাম, “হুম।”
কিছুক্ষন কেউ কথা বললাম না। তারপর আমিই বই টা বার করে বললাম,”এই নে ধর। আমায় তাড়াতাড়ি চলে যেতে হবে। কাজ আছে।” তুই আমার হাত টা চেপে ধরে বললি, “তোর কি হয়েছে বল? সেদিন ওমন করে চলে এলি কেন?”
“থাক না ওসব কথা।”
“থাকবে কেনো? আমি না হয় তোর একটা চুমুই খেয়েছি! তাতে এরকম আচরন করছিস কেন? জাস্ট লাইক আ ব্লাডি গেঁয়ো আনকালচারড ভূত।”
“স্টপ ইট, আনন্দ। আই ডোন্ট লাইক দ্যাট কাইন্ড অফ রিলেশন।”
” এ ইউ, হোয়াট ডু ইউ থিন্ক ইউরসেলফ? অ্যান্ড দ্যাট কাইন্ড অফ রিলেশন মিন্’ স, হোয়াট? অার ইউ ফাক্’ড?”
“প্লিজ আনন্দ এরকম ভাবে নোংরা কথাবার্তা বলিস না? আমি তোর কাছ থেকে এরকম কথাবার্তা আশা করিনি! ছি: ছি:! তুই যে এতটা নীচে —”

মনে পড়ে? সেদিন কি নোংরা নোংরা কথা বলেছিলি আমায়?সরি, তুই তো আবার এগুলো কে নোংরা ভাবিস না! আমার আজও পাবলিক প্লেসে তোর সেই তান্ডব লীলা মনে পড়ে যায়। যেনো আমি তোর সব ইচ্ছে, স্বপ্ন নষ্ট করে ফেলেছি। আমি সেদিন কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি চলে এসছিলাম বিকালের ট্রেনে। সারারাত টা ঘুমায়নি। আমি শুধুই তোর কথা ভেবেছি। তুই কি আমায় সত্যিই ভালোবেসে ছিলি? ভালোবাসলে কি এরকম ভাবে অপমান করা যায়, শুধু শারীরিক চাহিদাটা না মেটার জন্য? সে তো আমার ও ভালোলেগেছিল প্রথম ছোঁয়া। প্রথম চুমু। কিন্ত আমার তো তোকে কোনো পরিস্হিতির জন্যও অপমান করতে ইচ্ছে করে নি! ভালোবাসা বলতে বুঝি শুধু শরীর? হবে হয়ত! আমি হয়ত বুঝতে পারিনি। তাহোক, কিন্তু একবার ভালোবাসলে কি তাকে অপমান করতে ইচ্ছে করে?লোকের সামনে ছোটো করতে ইচ্ছে করে? সেদিন সারারাত আমার মনে যত আজেবাজে সব কথা ভেসে উঠছিল। কিন্তু অনেক ভেবেও আমি তোকে ছাড়ার কথা ভাবতে পারিনি। অনেকদিন কলেজ যেতে পারিনি। তুইও আর ফোন করিসনি, একটি বারের জন্যও। আমি প্রতিদিন তোর নাম্বার টা ডায়াল স্ক্রিনে টাইপ করেছি, কিন্তু কোনোদিন ই আর কল সুইচ টা ডায়াল করা হয়নি। এরপর আমি প্রায় সাতদিন পর কলেজ যাই, গিয়েই তোকে খুঁজি। দেখতে পাইনি তোকে কলেজে। কিন্তু জানতাম তোকে কোথায় পাব! চলে গেলাম মন্টুদার ক্যান্টিনে। আমায় দেখেই তোর সৌজন্যের প্রশ্ন, “কিরে কেমন আছিস? কোথায় যাচ্ছিস?”

আমি চুপ, শূন্যদৃষ্টি, তোর চোখের দিকে তাকাতে পারছিলাম না, জানি কেঁদে ফেলব। শুধু দেখলাম তোর পাশে বসা কেউ তোর এঁঠো চা’ টা খেয়ে নিলো। তখন সবার থেকে নিজেকে আড়াল করার বৃথা চেষ্টা করতে ভীষন ব্যস্ত আমি। কোথায় যেন আমি হেরে গিয়েছি! তখন একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল, তোর কাছ থেকে যেকোনো উপায়ে আমায় লুকাতে হবে। কারন দুঃখ টা খুব টাটকা ছিল, চোখের জল আর আটকাতে পারতাম না। তোর অধিকারের উপর অনধিকারের পথটুকু বুঝতে সময় লাগত।

যেদিন তোর পাশে বসা মেয়েটা তোর এঁঠো চা টা আমার সামনে খেয়ে নিয়েছিল, আমার দুঃখের অধ্যায়ের প্রথম পাতাও শুরু হয়ে গেছিলো।
এরপর দেড় বছর ধরে কত রাত কেটেছে, বালিশ ভেজা চোখের জলে। তোর জানার কথা নয়, জানাতে চাইওনি কোনোদিন।

যাক তারপর এলো আর এক নতুন অধ্যায়। তোর প্রেমিকার সাথে আমার প্রথম আলাপ। তুই ই করিয়েছিলি। আলাপ করানোটা কি খুব দরকার ছিলো? তোর প্রেমিকাকে কি আমার পরিচয় দিয়েছিলি? কিন্ত ও তো খুব কথা বলত। কিছু সাধারণ কথা, কিছু তোর কথা, তোর ভালো লাগার কথা, তোর পছন্দের কথা আরও কত কি? তুই নাকি একবার বাইকে করে ওকে নিয়ে লং ড্রাইভে বেরিয়েছিলি? তারপর ও আমায় বলল,” জানো দিদি, ও গাড়ি চালাচ্ছে প্রায় ৭০ তে। আর আমি পেছনে বসে, ওর ঘাড়ে আস্তে আস্তে সুড়সুড়ি দিতে লাগলাম। ব্যস ওর স্পিড কমতে লাগল। এরপর আমি ওর টি সার্টের ভেতর দিয়ে হাতটা ঢুকিয়ে দিয়ে জড়িয়ে ধরতেই বাইকের স্পিড ২০ তে নেমে গেল। তারপর ওই স্পিডেই বাকি রাস্তাটা এলাম। কি দারুন যে কাটল সেদিনটা কি বলব!”

হুম সেদিন আর কিছুই বলার বাকি রাখেনি! যাই হোক সেও ভোলার চেষ্টা করেছি, আজও করে চলেছি। আমি শুধু সেদিন সাবধান ছিলাম, যাতে তোর সম্পর্কে কিছু কথা না আমারও মনে পড়ে যায়? মনে না পড়ে যায়.. সেই বাইকের ব্রেক আচমকা বারে বারে কষে দেওয়া –কোনো কারন ছাড়াই। আমিও সেদিন পেছনেই বসে ছিলাম। বারে বারে আমার বুকের স্পর্শ তোর পিঠে লাগছিল। আমার ভালো লাগলেও তোকে চিমটি দিয়ে বলেছিলাম,” এই আনন্দ কি দুষ্টুমি হচ্ছে? মার খাবি এবার?”

কিন্তু বিশ্বাস কর সেদিন আমিও মনে মনে চাইছিলাম যাতে তুই আবার ব্রেক ধরিস। যাক আর চাওয়া পাওয়াতে কি ই বা এসে যায়?
তবে জানিস তো, এখন আমি অনেকটাই তোকে ভুলে থাকতে পেরেছি। দিনের প্রায় তিন ঘন্টা তোকে ভুলে থাকতে পারি…যেটা আগে এক মুহূর্ত ও সম্ভব ছিলনা। তোর তৈরি করা দুরত্ব আর অবহেলা আমায় অনেকটা ই শক্ত করেছে। তবুও কিছু দৃশ্য মেলাতে পারিনা আজও। যে তুই জন্মদিনের প্রথম শুভেচ্ছা টা জানানোর জন্য তিন বছর আগে, প্রতিযোগিতায় নেমে যেতিস, সেই তুই আজ দিনের পর দিন কথা বলার প্রয়োজন মনে করিস না। মেসেজের রিপ্লাই টা শুধুই হয় ” হুম”। ওই বিশেষ দিন গুলো আজও খুব কষ্ট হয় জানিস? বার বার তোর মেসেজ গুলো দেখি, ডিলিট করতে পারিনি এখনও। অবাঞ্ছিত ভালোবাসার ইঙ্গিত গুলোও মোছা যায়নি আজও। হয়ত আরও অনেক বছর পর বণ্ধনহীন হয়ে যাব, এই না থাকা প্রেমবন্ধন থেকে।স্মৃতিগুলো ঝড়ে যাবে শুকনো পাতার মতো। বিশেষ দিন গুলো হয়তো অতিবিশেষ দিনে হারিয়ে যাবে।আর তারও অনেকদিন পরে সময় লুপ্ত হয়ে গিয়ে মনের মধ্যে বেঁচে থাকবে শুধু তোর নাম টা, হয়ত বা মুখটাও।আমি বদলে যাব অনেকটাই, তুই তো যাবিই নিঃসন্দেহে। সেদিন চিনতেই পারবি না তেমন সম্ভাবনাও আছে। তোর উপর অনেক রাগ অভিমান থাকা সত্বেও, মনে রাখিস স্বীকার করতে কোনোদিন ভুলব না ‘ আমার প্রথম প্রেম তুই ই’। অনেক অনেক বছর পর যেদিন এই লেখা নিছক ই এক হাস্যকর স্মৃতিচারন মনে হবে, সেদিনও ওই একটা সত্যি থেকেই যাবে। তবু যদি কোনোদিন মুখোমুখি হয়ে যাই, কথা দিলাম আমার হাসির আড়ালে অব্যক্ত যন্ত্রণা আর দেখা যাবে না। সেদিন একটা মৃদু হাসি তো হাসাই যায় তাই না? পুরোনো স্মৃতি ভুলেও মনে করাবো না। আমার একপেশে ভালোবাসা তোর সাজানো নাটকের একটুকু চরিত্র কিনা, তাও জানতে চাইবো না কোনোদিন। তুই ও ভালো থাক, আমিও ভালো থাকি। বিয়েটাও আমি করে ফেলেছি, দিন সাতেক হলো। বিয়ের প্রথম রাতে যেদিন ও প্রথম আদর করে, সেদিনও তোর দশ দিন সেভ না করা মুখটা একবারের জন্য ভেসে উঠেছিল। তবে এখন তোকে আমি ভুলতে চলেছি। শুধু এটুকুই বলার ছিলো তোকে। তবে তুই এসব কথা কোনোদিনও শুনতে পাবি না। এ চিঠি শুধুই আমার কাছে থাকবে।আমার মনের সব স্মৃতি এখানে বন্দি করে দিলাম। আমার নতুন জীবনে এদের প্রবেশ করতে দেব না।

ইতি,
প্রেরনা

বৃষ্টি এতক্ষনে চিঠির মধ্যদিয়ে তার মা’য়ের এক নিদারুন কঠিন অতীতে চলে গিয়েছিল।চোখের কোণ থেকে জল গড়িয়ে কখন তার মিষ্টি আদুরে গাল দুটো ভিজিয়ে দিয়েছে বুঝতেই পারেনি সে।বৃষ্টি এ বছর ইলেভেনে ভর্তি হয়ে গেলো, অথচ তার মা’ কে দেখে বুঝতেই পারেনি এতদিন যে তার মা’ এর এত বড়ো একটা অতীত আছে! তার মা’ সত্যিই নিজেকে পরিবর্তন করে ফেলেছে অনেক। মা এর হাসি খুশি সুখের জীবনের পেছনেও যে এমন এক টুকরো কালো মেঘ জমাট বেঁধে রয়েছে, তা বৃষ্টি কোনোদিন ই জানতে পারত না, যদি না ডাইরি খুঁজতে গিয়ে এই চিঠিটা পেত। এদিকে মা ডাইরিটা খুঁজে পেয়ে বৃষ্টিকে ডাকলো,” এই বৃষ্টি নিয়ে যা তোর ডাইরি”। বৃষ্টি ছুটে গিয়ে তার মা এর গলা জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলে বলল,” আমার মিষ্টি মা—“।
মা গালে একটা ছোট্ট চুমু খেয়ে বলল,” থাক থাক আর আদর করতে হবে না? আমার অনেক কাজ পড়ে আছে।”

বৃষ্টি ডাইরিতে মা’ এর লেখা চিঠিখানি পরম যত্নে ডাইরির পাতায় আগলে রেখে দিয়েছিল সারাজীবনের জন্য।

Some text

ক্যাটাগরি: গল্প

[sharethis-inline-buttons]

Leave a Reply

আমি প্রবাসী অ্যাপস দিয়ে ভ্যাকসিন…

লঞ্চে যৌন হয়রানি