শনিবার ভোর ৫:২০, ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ. ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ইং

রাজনগরে বন্ধকী জমি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

২৪১ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নে বোনের নিকট জমি বন্ধক দিয়ে টাকা ফেরত না দিয়ে জমিতে ধান রোপনে বাঁধা ও বোন এবং বোন জামাইয়ের বিভিন্ন ষড়ন্ত্রের অভিযোগে রাজনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মোছা: রহিমা বেগম।

শুক্রবার ২০ আগষ্ট সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে রহিমা বেগম জানান, তার স্বামী প্রবাসে থাকায় বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ না থাকায় যাবতীয় কাজকর্ম তিনি দেখাশোনা করেন। উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের গবিন্দপুর গ্রামের তার বোন কলসুমা বেগম ও বোন জামাই লোকমান খান জরুরী প্রয়োজনে জমি বন্ধক দেওয়ার প্রস্তাব করে বন্ধক রাখার ব্যাপারে অনুনয় বিনয় করেন। বোন জামাইয়ের সমস্যার কথা বিবেচনা করে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ঋন তুলে ৭৫শতক জমি এক লাখ দিয়ে বন্ধক রাখেন।

কিছু দিন পর কুলসুমা বেগম ও লোকমান খান রহিমা বেগমের ছেলের সাথে তাদের মেয়ে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব করেন। তিনি তার ছেলের সাথে বোনের মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। ফলে তার বোন ও বোনের স্বামী ক্ষীপ্ত হয়ে জানিয়ে দেন বন্ধকী জমিতে তাকে ধান রোপন করতে দেবেন না। এমনকি তার দেওয়া এক লাখ টাকাও ফেরত দিবেন না। এমতবস্থায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির নিকট বিষয়টির সমাধান চাইলে বোন জামাই ক্ষীপ্ত হয়ে রহিমা বেগমের উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করেন।

পরবর্তীতে এ বিষয়ে রাজনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেওয়ান খয়রুল মজিদ কাছে বিচার প্রার্থী হলে শালিস বৈঠকে কুলসুমা বেগম বন্ধকি জামির টাকা কথা স্বীকার করলেও তাঁর এক আত্মীয়র মেয়ের সাথে রহিমা বেগমের ছেলের বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত বিষয়ে বিয়ের মালামাল পাওনা রয়েছে দাবি করায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়নি ।

রহিমা বেগম মালামালসহ কাবিনের মোহরানার টাকা পরিশোধ হয়েছে মর্মে লিখিত স্ট্যাম্প ও তালামনামা দেখিয়ে পূর্ণরায় বিচার দাবি করলে, শালিস বৈঠকে পরবর্তী বিচারের দিন নির্ধারিত হওয়ার পূর্বেই কামারচাক ইউনিয়নের কালাইর কোনা গ্রামের কুদ্দুস মিয়া ও কুলসুমা বেগমের স্বামীসহ রহিমা বেগমের সাথে দেখা করে জমিতে ধান রোপনের কথা বলেন।

রহিমা বেগম জমিতে ধান রোপন করার পরদিন কুলসুমা বেগমের স্বামী লোকমান খান রাজনগর থানায় জোরপূর্বক জমিতে ধান রোপনের অভিযোগ দাখিল করেন এবং রহিমা বেগম পাওনা টাকা উদ্ধারের অভিযোগ দায়ের করলে রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম উভয়পক্ষকে থানায় ডেকে এনে রহিমা বেগমকে লোকমান খানের জমি ছেড়ে দিয়ে দুই বোন মধ্যে বন্ধকি জমির টাকার বিষয়টি মিমাংসা করতে নিতে বলেন।

বিষয়টির মিমাংসা না করে লোকমান খান রহিমা বেগমের ভাইয়ের চাষকৃত জমিতে কাঁচের বোতল ভেঙ্গে চাষাবাদে বাধাসৃষ্টিসহ ভাইয়ের স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে জিম্মি করে রহিমা বেগম ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা স্বীকারউক্তি মোবাইল ফোনে রেকর্ড করে বিভিন্ন জায়গায় পাঠিয়ে মান সম্মান ক্ষুণ করার পাশাপাশি বিভিন্ন হুমকি প্রদান করছে। লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন বন্ধকী জমির টাকা ফেরত না পাওয়ায় স্বামীর সাথে তার সংসার ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। তিনি এ ব্যাপারে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা চেয়েছেন।

Some text

ক্যাটাগরি: নাগরিক সাংবাদিকতা

[sharethis-inline-buttons]

Leave a Reply

আমি প্রবাসী অ্যাপস দিয়ে ভ্যাকসিন…

লঞ্চে যৌন হয়রানি