বুধবার সকাল ১১:০৯, ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ. ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ইং

কৃষি এবং কৃষকের দুঃখ (প্রতিবেদন ও ভিডিও)

৪১৯ বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

এই করোনাকালীন সময়ে আমাদের কৃষক ভাইয়েরা কেমন আছেন, খবর কি আমরা কেউ রাখি। কৃষক ভাইদের খবর নেওয়ার জন্য আজকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সুলতানপুর ইউনিয়ন এর বার আউলিয়ার বিলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষক ভাইদের দুরবস্থা। কৃষিশ্রমিক সংকটের জন্য তারা ধান কেটে গড়ে নিতে পারছে না বিঘার বিঘা জমি টাকা দাম সহ ঢলে পড়ছে জমির উপর এবং ঝরে পড়ছে ধানগোলা তাই কৃষক ভাইয়েরা দিশাহারা।

১২আউলিয়ার বিল তিতাসের পাদদেশে ঘেষা একটি হাওর লোকমুখে শোনা যায় এই বিলে একসময় বর্ষাকালে থৈথৈ পানি আর শুকনো মৌসুমে ঘাস ছাড়া কিছুই ছিল না একদা এক রাতে ১২ জন আউলিয়া ঘোড়াসওয়ারী হয়ে যাওয়ার পর থেকে এই বিলে অসংখ্য ফসল হয় যদিও এই  ১২জন আউলিয়া সম্পর্কে কারো কোন ধারণা নেই তবে তারা নাকি মুরুব্বিদের কাছে এই গল্প কাহিনী শুনেছেন। যাক এসব কথা তবে এটা সত্যি এই বিলে ফলে সোনার ফসল হাজার হাজার বিঘা জমি রয়েছে এই বিলের মধ্যেে। কিন্তু এ বছর করুণা লকডাউন এর কারণে কৃষকরা ঘরে তুলতে পারছে না সোনার ফসল এর প্রধান কারণ হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাতে এই ধানের মৌসুমে বিভিন্ন জেলা থেকে আসে হাজার হাজার কৃষিশ্রমিক যেমন ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা রংপুর এসব এলাকার মানুষ সিজনাল ওয়ার্কার হিসাবে আসে এবছর লকডাউন এর কারণে তারা আসতে পারে নাই ।তাই শ্রমিক সংকটের জন্য সোনার ধান কেটে ঘরে নিতে পারছে না কৃষকেরা।

তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষি কর্মকর্তাদের এ ব্যাপারে কোনো মাথাব্যথা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তারা নিজস্ব চেষ্টায় দুটি হারভেস্টার ধান কাটার মেশিন উচ্চমূল্যেভাড়া করে এনেছে এরইমধ্যে দুর্ভাগ্যক্রমে একটি মেশিন বিকল হয়ে যায়়। এজন্য তাদের দুর্গতি কমে নাই তাই তাদের আকুল আবেদন পুরোপুরি লকডাউন না দিয়ে স্বাস্থ্য বিধি মোতাবেক মানুষকে চলাফেরা করার অনুমতি দেয়া হোক।

তাছাড়া উন্নত বিশ্বে ইউরোপ-আমেরিকায় বিভিন্ন দেশ যেমন স্পেন পর্তুগাল তারা সীমিত আকারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবকিছু খুলে দিয়েছে এমনকি ইতালি সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হওয়া সত্ত্বেও এ মাসের 20 তারিখ থেকে জনসাধারণের ও দেশের অর্থনীতির কথা চিন্তা করে লকডাউন শিথিল করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবকিছু খুলে দিয়েছে। তাই আমাদের দেশে জনগণের তথা দেশের অর্থনৈতিক চিন্তা করে পুরোপুরি লকডাউন না দিয়ে সীমিত আকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে লকডাউন শিথিল করা হোক বলে বিজ্ঞ জনের মতামত। কারণ এই লকডাউন এর কারণে খেটে খাওয়া শ্রমিক মজুর বেকার হয়ে অর্থনৈতিকভাবে খুবই মানবেতর জীবন যাপন করে। এইজন্য লকডাউন এর সাথে সাথে গণসচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য বিধি মানার মন মানসিকতা তৈরি করাতে হবে। এবং সীমিত আকারে মানুষকেেে চলাফেরা ব্যবসাা বাণিজ্য কাজকর্ম করার অনুমতি দেয়া হোক।

জাকারিয়া জাকির: সিনিয়র প্রতিবেদক

 

Some text

ক্যাটাগরি: মতামত

[sharethis-inline-buttons]

Leave a Reply

আমি প্রবাসী অ্যাপস দিয়ে ভ্যাকসিন…

লঞ্চে যৌন হয়রানি